যুক্তরাষ্ট্র   সোমবার ১৫ জুন ২০২৬, সোমবার ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২২ PM

৫০
পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ–এ বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে হাইকমিশনের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং দূতালয় প্রাঙ্গণে নির্মিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ ছাড়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বাণী পাঠ, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিবসকে ঘিরে দূতালয় প্রাঙ্গণ ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সজ্জিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দূতালয় প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়। এতে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান কর্মকর্তা–কর্মচারী ও শিশুদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গান পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। একই সঙ্গে ইউনেস্কো–এর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি খোন্দকার এম তালহার একটি ভিডিও বার্তাও প্রদর্শন করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল।’

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!