যুক্তরাষ্ট্র   সোমবার ১৫ জুন ২০২৬, সোমবার ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পোশাক খাতে কিছুটা স্বস্তি

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৯ AM

৫১
পোশাক খাতে কিছুটা স্বস্তি

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির আইনের আওতায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করেছেন। এর ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নীতিগত অনিশ্চয়তা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদেরা।

তবে বাতিল হওয়া শুল্কের পরিবর্তে ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে ১০ শতাংশ এবং পরে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সারচার্জ ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি সর্বোচ্চ ১৫০ দিন, অর্থাৎ ২৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে—যদি এর আগে সংশোধন বা বাতিল না করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আদালতের রায় পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে বৈষম্যমূলক শুল্ক ব্যবস্থার পরিবর্তে তুলনামূলক সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হতে পারে। যদিও নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণায় ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয়।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট পূর্ববর্তী আইইইপিএভিত্তিক পারস্পরিক শুল্ক বাতিল করার পর প্রশাসন স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি—দুই ধরনের কৌশল নিয়েছে। স্বল্পমেয়াদে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারা প্রয়োগ করে অধিকাংশ আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে ‘ধারা ৩০১’-এর আওতায় কথিত ‘অসৎ বাণিজ্য’ তদন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব পদক্ষেপ ২০২৬ সালের শেষার্ধে কার্যকর হতে পারে।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায় ও নতুন শুল্কনীতি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নতুন ১৫ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, পরিস্থিতি বোঝার জন্য সময় প্রয়োজন। এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!